Shopping cart

Magazines cover a wide array subjects, including but not limited to fashion, lifestyle, health, politics, business, Entertainment, sports, science,

কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে দোয়ারাবাজারের যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 

মার্চ ২, ২০২৬

কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে দোয়ারাবাজারের যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে দোয়ারাবাজারের যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ): বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ পরবর্তী ভিডিও ধারণের অভিযোগে মুহিবুর রহমান নামে দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের তেরাপুর গ্রামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (১ মার্চ) সুনামগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ এই রায় দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, সুনামগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি), আইনজীবী মো. শামসুর রহমান।

এতে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন, দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের তেরাপুর গ্রামের গৌছ আলীর ছেলে মো. মুহিবুর রহমান। সাজাপ্রাপ্ত আসামি পলাতক আছেন। জরিমানার টাকা নির্যাতনের শিকার ওই নারী পাবেন বলেও জানিয়েছেন বিচারক।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাশ্ববর্তী ছাতক পৌর শহরের বাসিন্দা ভিকটিম কলেজছাত্রীর সঙ্গে মুঠোফোনে প্রেমের সম্পর্ক হয় মুহিবুর রহমানের।

সম্পর্কে মুহিবুর রহমান জানান, তিনি ফ্রান্সে আছেন। সেখানে তার অনেক বাড়িসহ অনেক সম্পদ আছে।

নিয়মিত কথাবার্তা আর গভির প্রেমের সম্পর্কে মুহিবুর মেয়েটিকে জানান, তাকে বিয়ে করে ফ্রান্সে নিয়ে যেতে চান। এর কিছুদিন পরেই তিনি জানান, দেশে চলে এসেছেন। এরপর মেয়েটির সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদের মধ্যে মুঠোফোনে যোগাযোগ অব্যাহত থাকে। দু’জনের সম্পর্কে ওই বছরের ১১ নভেম্বর মুহিবুর রহমান তার এক বন্ধুকে দিয়ে মেয়েটিকে ছাতক পৌর শহরের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যান। মেয়েটিকে সেখানে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা রাখেন। এ সময় তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ এবং সেই দৃশ্য ভিডিও ধারণ ও ছবি তোলা হয়। পরে মেয়েটিকে বিদায় করে দেন মুহিবুর।

ঘটনার পর মেয়েটি বাড়িতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং জানতে পারেন, মুহিবুর প্রতারক। কখনো ফ্রান্সে ছিলেন না। এক সময় ব্রুনাই ছিলেন। এরপর তাকে আবার হোটেলে যেতে বলা হলে মেয়েটি সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।

কিন্তু দ্বিতীয় বার তার কথা মতো হোটেলে না যাওয়াতে মুহিবুর সেই ভিডিও ও ছবি ফেসবুক, ইউটিউবে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এক পর্যায়ে সেই ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় মেয়েটি পরবর্তীতে পর্নোগ্রাফি আইনে ছাতক থানায় মুহিবুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলার বিচারকার্য শেষে রোববার রায় ঘোষণা করেন সুনামগঞ্জের আদালত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *