Shopping cart

Magazines cover a wide array subjects, including but not limited to fashion, lifestyle, health, politics, business, Entertainment, sports, science,

  • Home
  • সারাদেশ
  • দেয়ারাবাজারে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা

দেয়ারাবাজারে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা

আগস্ট ২৩, ২০২৫

দেয়ারাবাজারে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা।

দেয়ারাবাজারে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা।

দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ): সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের এক স্কুলছাত্রীকে (১৩) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে রোহান আহমদ নামে স্থানীয় এক বখাটে মোটরসাইকেল চালক। উপজেলার বোগলাবাজার ইউনিয়নের স্থানীয় বোগলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ধর্ষক রোহান আহমদ (১৫) একই গ্রামের মোঃ আলী হোসেন’র পুত্র। অন্তঃসত্ত্বা স্কুল শিক্ষার্থী ( ভিকটিম) বোগলা রুসমত আলী রাম সুন্দর স্কুল এন্ড কলেজের সপ্তম শ্রেনীর শিক্ষার্থী।

ভিকটিমের পরিবার সূত্রে জানাযায়, আনুমানিক ৬ মাসের অন্তসত্ত্বা ওই শিক্ষার্থী’ চলতি আগষ্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে স্কুলে গেলে এবং অসুস্থতা অনুভব করলে তার অসুস্থতার বিষয়টি এক স্কুল শিক্ষিকার নজরে আসে, ওই শিক্ষিকা তাকে বিশ্রাম ও চিকিৎসা নিতে ছুটি দেয়। পরে তার শারিরীক পরিবর্তনের ফলে তার পরিবার বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা নেওয়ার একপর্যায়ে জানতে পারে যে সে ৬-৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। পরে স্থানীয়দের মাঝে বিষয়টি জানাজানি হলে মেয়েটি আত্মগোপনে চলে যায়।

শুক্রবার (২২ আগষ্ট) প্রকাশ্যে আসে অন্তঃসত্ত্বা ওই স্কুল শিক্ষার্থী। ভিকটিম স্কুল শিক্ষার্থী (১৩) জানায়,তার সাতে ২ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিলো একই গ্রামের আলী হোসেনের পুত্র রোহান মিয়া (১৫) সাথে। এতপ মেয়েটি যখন স্কুলে আসা-যাওয়া করতো তখন রাস্তায় দেখা হতো দু’জনের। মাঝে মধ্যে রোহানের মোটরসাইকেলে চড়েও স্কুলে যেতো ওই শিক্ষার্থী। এতে মাঝে মধ্যে মেয়েটির বাড়িতে কেউ না থাকলে ফাঁকা ঘরে আসতে বাধ্য করে প্রেমিক রোহান। দীর্ঘদিনের এসব প্রেমের সুবাদে গত ৬-৭ মাস আগে মেয়েটিকে বিয়ের প্রলোভনে নির্জন ফাঁকা বাড়িতে আসতে বাধ্য করে রোহান। মেয়ের দিনমজুর পিতা-মাতা পরিবারের ভরনপোষণ করতে স্থানীয় বোগলাবাজারে প্রতিদিন ডিম বিক্রি করে। এই সুযোগে একদিন সন্ধায় ভিকটিমের বাড়িতে আসে রোহান। এসে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কয়েকবার শারিরীক মেলামেশা করে। এমনকি পরবর্তীতে প্রেমিকা স্কুল শিক্ষার্থী শারিরীক মেলামেশার বিষয়টি কাউকে না জানতে বাঁধা নিষেধ করে।

কয়েকমাস পরে যখন মেয়েটির শারিরীক পরিবর্তন ঘটে ও অসুস্থতা দেখা দেয়। তখন সে বিষয়টি রোহানকে জানালে রোহান হুমকি দিয়ে বলে যে এটা এমনি এমনিতেই সমাধান হবে। এর আগো এই বিষয়ে কাউকে যেনো না বলে। যদি কাউকে বলে তাহলে ভিকটিমকে প্রানে মেরে ফেলবে।

প্রেমিকা রোহানের ভয়ে এবিষয়ে পরিবারকেও বলতে রাজিনয় ওই অন্তঃসত্ত্বা স্কুল শিক্ষার্থী।

ভিকটিমের পিতা-মাতা জানান,তারা গরিব, অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষ। তারা ইজ্জতের ভয় আর সুষ্ঠু বিচার না পাওয়ার শঙ্কায় বিষয়টি আত্মগোপনে রেখেছেন। কিন্তু যতই দিন যাচ্ছে ততই মেয়েটির শারিরীক অসুস্থতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাংবাদিকদের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানান। স্কুল শিক্ষার্থী ওই মেয়ের ক্ষতিপূরণ চায় তার পরিবার।

বোগলা রুসমত আলী রামসুন্দর স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষিকা ফারজানা আক্তার জানান,মেয়েটির শারিরীক পরিবর্তন দেখে তার সহপাঠীরা কানাঘুষো করতে থাকলে ওই শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ভিকটিমের সাথে আলোচনা করে সত্যতা পাওয়ায় তাকে বিষয়টা সম্পর্কে পরিবারকে জানানোর পরামর্শ দেন।

অভিযোগ সম্পর্ক জানতে চাইলে অভিযুক্ত রোহান ও তার পিতা আলী হোসেন বিষয়টি অস্বীকার করে জানান,এটি সম্পন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। তারা এবিষয়ে কিছুই জানেনা।

দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহিদুল হক জানান, বিষয়টি আজ জানতে পারছি। আমরা তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নিবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *