Shopping cart

  • Home
  • শিক্ষাঙ্গন
  • শিক্ষার্থীদের অধিকার ও আন্দোলন সংগ্রামে জবি প্রেসক্লাবের ভূমিকা অগ্রগামী উপাচার্য

শিক্ষার্থীদের অধিকার ও আন্দোলন সংগ্রামে জবি প্রেসক্লাবের ভূমিকা অগ্রগামী উপাচার্য

জুন ৯, ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি ও সদস্যবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়, গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংকটে জবি প্রেস ক্লাব সবসময় অগ্রণী ভূমিকার প্রশংসা করেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি ও সদস্যবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়, গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংকটে জবি প্রেস ক্লাব সবসময় অগ্রণী ভূমিকার প্রশংসা করেন।

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি ও সদস্যবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়, গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংকটে জবি প্রেস ক্লাব সবসময় অগ্রণী ভূমিকার প্রশংসা করেন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সৌজন্য সাক্ষাৎ এর পর তিনি এসব কথা বলেন।

জবি উপাচার্য প্রেসক্লাবের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সম্পর্কে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, “শিক্ষার্থীদের অধিকার ও আন্দোলন সংগ্রামে জবি প্রেসক্লাবের ভূমিকা অগ্রগামী। আমি চাই অতীতের ন্যায় প্রেসক্লাব বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জন, সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জগুলো দায়িত্বশীলতার সঙ্গে জাতির সামনে তুলে ধরুক। বস্তুনিষ্ঠ ও গঠনমূলক সাংবাদিকতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে কাজ করলে প্রেস ক্লাবের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পাবে।”

নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের নতুন নেতৃত্বকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমি সবসময় বিশ্বাস করি, আমি তোমাদেরই একজন। বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়াই আমার লক্ষ্য। আর সেই যাত্রায় প্রেসক্লাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”

প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও ঐতিহ্য রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও ঐতিহ্য রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। ব্যক্তি নয়, প্রতিষ্ঠানই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে। তাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রেসক্লাবের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে উপাচার্য বলেন, “আমি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় সাংবাদিকদের সহযোগিতা ও ইতিবাচক ভূমিকা সবসময় প্রত্যাশা করি। সবাই মিলে কাজ করলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারব।”

প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে অতীতের ন্যায় সৎ ও সাহসী ভূমিকা পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের ২০২৬-২৭ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। তাই ঈদ পরবর্তী নবগঠিত কমিটির সঙ্গে এটিই ছিল উপাচার্যের প্রথম আনুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাৎ।

এসময় জবি প্রেসক্লাবের সভাপতি মুসফিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক লিমন ইসলামসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ এবং সাধারণ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *