Shopping cart

Magazines cover a wide array subjects, including but not limited to fashion, lifestyle, health, politics, business, Entertainment, sports, science,

  • Home
  • শিক্ষাঙ্গন
  • জবির একমাত্র ছাত্রী হলে জকসুর উদ্যোগে ঠান্ডা পানির ফিল্টার হস্তান্তর।

জবির একমাত্র ছাত্রী হলে জকসুর উদ্যোগে ঠান্ডা পানির ফিল্টার হস্তান্তর।

জুন ২৩, ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) একমাত্র ছাত্রী হল নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী হলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)-এর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ঠান্ডা পানির ফিল্টার হস্তান্তর করা হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) একমাত্র ছাত্রী হল নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী হলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)-এর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ঠান্ডা পানির ফিল্টার হস্তান্তর করা হয়েছে।

জবি প্রতিনিধি:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) একমাত্র ছাত্রী হল নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী হলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)-এর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ঠান্ডা পানির ফিল্টার হস্তান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুর ২টায় হল সংসদ ও হল প্রশাসনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিল্টারটি হস্তান্তর করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ ও ঠান্ডা পানির সুবিধা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

এ সম্পর্কে জকসু ভিপি মো রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন থেকে বাংলাদেশে প্রচণ্ড গরম পড়ছে। চারদিকে গরমে শিক্ষার্থীরা হাঁসফাঁস করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ছাত্রী হলে ৬০০ সিট থাকলেও এখানে ১২০০ জন শিক্ষার্থী অবস্থান করে। প্রচণ্ড গরমের মাঝে আসলে তাদের জন্য নিরাপদ এবং ঠান্ডা পানির ব্যবস্থা খুবই কম। যার কারণে দীর্ঘদিন থেকে হল সংসদ এবং হলের বোনেরা আমাদের কাছে এ বিষয়ে দাবি করে আসছিল। অবশেষে আমরা একজন সাবেক ভাইয়ের মাধ্যমে একটি ফিল্টার ম্যানেজ করে আমরা হল সংসদ এবং হল প্রভোস্টের কাছে হস্তান্তর করি। আমরা প্রত্যাশা করি এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মাত্র কিছু শতাংশ হলেও উপকৃত হবেন, ইনশাআল্লাহ।”

তিনি আরও বলেন, “আসলে এ কাজগুলো তো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের করার কথা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনই এগুলো করবে, শিক্ষার্থীদের সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো প্রশাসন এগুলো করছে না দেখেই আমাদেরকে ভিন্নভাবে চিন্তা করতে হচ্ছে। তবে আমরা প্রত্যাশা করছি যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শুধু হল না, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যে পানির প্রচুর সমস্যা রয়েছে ক্যাম্পাসে, এই সমস্যাগুলো আইডেন্টিফাই করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, ইনশাআল্লাহ।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হলের প্রভোস্ট পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আঞ্জুমান আরা ও জকসুর নেতৃবৃন্দরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *