Shopping cart

  • Home
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • জবি ছাত্র ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক চন্দনের ওপর হামলার অভিযোগ।

জবি ছাত্র ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক চন্দনের ওপর হামলার অভিযোগ।

জুন ২৭, ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্র ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ১৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থী চন্দন কুমার দাসের ওপর বাড়িতে গিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্র ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ১৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থী চন্দন কুমার দাসের ওপর বাড়িতে গিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে।

জবি প্রতিনিধি:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্র ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ১৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থী চন্দন কুমার দাসের ওপর বাড়িতে গিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে সমাজকর্ম বিভাগের ২০তম আবর্তনের শিক্ষার্থী অপূর্ব রায়ের নেতৃত্বে কয়েকজনের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করা হয়েছে। তবে অপূর্ব রায় এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার (২৭ জুন) জবি ছাত্র ঐক্য পরিষদের সভাপতি অর্ঘ্যশ্রেষ্ঠ দাস এক ফেসবুক পোস্টে এ অভিযোগ করেন।

পোস্টে তিনি দাবি করেন, শুক্রবার (২৬ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরে গঠনতন্ত্র প্রণয়ন-সংক্রান্ত সাধারণ সভা চলাকালে একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। তার ভাষ্য, প্রথমে ২০তম আবর্তনের শিক্ষার্থী অপূর্ব রায় সিনিয়র শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে ১৯তম আবর্তনের কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রতিবাদ জানালে বাকবিতণ্ডা হাতাহাতির পর্যায়ে গড়ায়। পরে সিনিয়র শিক্ষার্থীদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

অর্ঘ্যশ্রেষ্ঠ দাস আরও দাবি করেন, ঘটনার পর অপূর্ব রায় তার সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে জবি ছাত্র ঐক্য পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে জড়িয়ে বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমে ভিত্তিহীন ও নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করান। তবে এ বিষয়ে তারা কোনো পদক্ষেপ নেননি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, শনিবার দুপুর ৩টার দিকে অপূর্ব রায়ের নেতৃত্বে কয়েকজন চন্দন কুমার দাসের বাড়িতে গিয়ে অতর্কিত হামলা চালান। এতে চন্দন আহত হন বলে দাবি করা হয়। হামলার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানান তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অপূর্ব রায় বলেন, “আমি কিছুই জানি না এগুলো। এখানে পরিকল্পিতভাবে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, “হ্যাঁ, আমি ফেসবুকে বিষয়টি দেখেছি। তবে এখনো পর্যন্ত আমরা কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখব। বিষয়টি যাতে বড় সংঘাতের দিকে না যায়, সে বিষয়ে আমরা সচেষ্ট। আমরা চাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকুক।”

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *