Shopping cart

Magazines cover a wide array subjects, including but not limited to fashion, lifestyle, health, politics, business, Entertainment, sports, science,

  • Home
  • শিক্ষাঙ্গন
  • শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতেই জবিতে সমন্বয়হীনতার উৎসব, ক্ষুব্ধ কৃতি শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতেই জবিতে সমন্বয়হীনতার উৎসব, ক্ষুব্ধ কৃতি শিক্ষার্থীরা।

জুন ১৭, ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সর্বোচ্চ একাডেমিক স্বীকৃতিগুলোর অন্যতম ‘ডিন’স অ্যাওয়ার্ড -২০২৬’ অনুষ্ঠানের ব্যানারে বানান ভুল এবং আয়োজনে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদাপূর্ণ এই আয়োজনকে ঘিরে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সর্বোচ্চ একাডেমিক স্বীকৃতিগুলোর অন্যতম ‘ডিন’স অ্যাওয়ার্ড -২০২৬’ অনুষ্ঠানের ব্যানারে বানান ভুল এবং আয়োজনে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদাপূর্ণ এই আয়োজনকে ঘিরে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সর্বোচ্চ একাডেমিক স্বীকৃতিগুলোর অন্যতম ‘ডিন’স অ্যাওয়ার্ড -২০২৬’ অনুষ্ঠানের ব্যানারে বানান ভুল এবং আয়োজনে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদাপূর্ণ এই আয়োজনকে ঘিরে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ডিন’স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য সহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপাচার্য ভবন (ভিসি ভবন) ও শহীদ রফিক ভবনের সামনে টানানো ডিন’স অ্যাওয়ার্ড–২০২৬-এর একাধিক ব্যানারে ইংরেজি মাস ‘June’-এর পরিবর্তে ‘Jnue’ লেখা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ একাডেমিক সম্মাননা অনুষ্ঠানের ব্যানারে এমন স্পষ্ট বানান ভুল উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অতিথিদের দৃষ্টিগোচর হলে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, জাতীয় পর্যায়ের অতিথিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এমন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে ব্যানারের মতো মৌলিক বিষয়েও যথাযথ তদারকির অভাব ছিল। তাদের মতে, এটি শুধু একটি বানান ভুল নয়; বরং আয়োজকদের দায়িত্বশীলতা ও প্রস্তুতির মান নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

এদিকে অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা নিয়েও নানা অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, নির্ধারিত পাস কার্ড ছাড়াই অনেককে মিলনায়তনে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছে। ফলে নির্ধারিত অতিথি ও পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অনেকেই আসনসংকট এবং অতিরিক্ত ভিড়ের মুখে পড়েন। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অতিথি ব্যবস্থাপনা এবং সমন্বয়ের ঘাটতির চিত্রও লক্ষ্য করা গেছে বলে অভিযোগ করেন উপস্থিত শিক্ষার্থীরা।

সামাজিকবিজ্ঞান অনুষদের এক শিক্ষার্থী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় একাডেমিক সম্মাননা অনুষ্ঠানে এমন ভুল অত্যন্ত হতাশাজনক। একটি ব্যানারের বানান ভুল হয়তো কারও কাছে ছোট বিষয় মনে হতে পারে, কিন্তু এটি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ও পেশাদারিত্বের প্রতিফলন। এমন আয়োজনের ক্ষেত্রে আরও সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতা প্রত্যাশিত।”

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, “যারা অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন এবং আমন্ত্রিত ছিলেন, তাদের অনেকেই ভোগান্তিতে পড়েছেন। পাস কার্ড ছাড়া লোকজন প্রবেশ করায় মিলনায়তনে অতিরিক্ত ভিড় সৃষ্টি হয়। এত বড় আয়োজনে এমন বিশৃঙ্খলা কাম্য নয়।”

শিক্ষার্থীদের একটি অংশের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানগুলোতে প্রায়ই সমন্বয়হীনতা ও পরিকল্পনার ঘাটতি চোখে পড়ে। ডিন’স অ্যাওয়ার্ডের মতো মর্যাদাপূর্ণ আয়োজনেও সেই চিত্রের পুনরাবৃত্তি হয়েছে বলে তারা মনে করছেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন প্রথমে ব্যানারে কোনো ভুলের বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে ব্যানারের ছবি দেখানো হলে তিনি বলেন, “আমাদের হাতে সময় খুবই কম ছিল। প্রস্তুতির কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে এ ধরনের ভুল হয়ে থাকতে পারে।”

তবে শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ একাডেমিক স্বীকৃতিমূলক অনুষ্ঠানের ব্যানারে এমন ভুল কীভাবে সংশ্লিষ্টদের নজর এড়িয়ে গেল। একই সঙ্গে অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনায় দেখা দেওয়া অভিযোগগুলোও প্রশাসনের দায়িত্বশীলতা ও তদারকি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *