আহমদ বিলাল খান: অবৈধ সেগুন কাঠ পাচার রোধে ১২ বিজিবির অভিযানে ৩ লাখ ১৫ হাজার ২৮০ টাকার বনজ সম্পদ উদ্ধার হওয়ায় সরকারের সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতি থেকে বড় অঙ্কের অর্থ রক্ষা পেয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শনিবার (১১ জানুয়ারি) ভোর ৫টায় রাঙ্গামাটি বরকল উপজেলার ছোট হরিণা এলাকায় ছোটহরিণা ব্যাটালিয়ন (১২ বিজিবি)-এর নায়েব সুবেদার মোঃ আজম আলী-এর নেতৃত্বে একটি টহলদল ছোটহরিণা বাজার ঘাট এলাকা থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ৭৮ ঘনফুট অবৈধ সেগুন গোলকাঠ জব্দ করে। উদ্ধারকৃত কাঠের বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩,১৫,২৮০ টাকা, যা স্থানীয় কাঠবাজারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থনৈতিক লেনদেনের সমান।
অর্থনীতিবিদদের মতে, পার্বত্য এলাকায় অবৈধ কাঠ পাচার শুধু পরিবেশের ক্ষতিই করে না, বরং সরকারকে রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করে এবং বৈধ কাঠ ব্যবসাকে দুর্বল করে তোলে। বিজিবির এই ধরনের অভিযান বৈধ বনজ বাণিজ্য রক্ষা ও বাজারে ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
১২ বিজিবির জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরুল কায়েস মেহেদী বলেন, সীমান্ত ও সংলগ্ন এলাকায় চোরাচালান এবং অবৈধ কাঠ পাচার রোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার, অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধ, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং বনজ সম্পদ সংরক্ষণ’ এই চারটি লক্ষ্য সামনে রেখে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের অভিযান নিয়মিত ও জোরদার হলে পার্বত্য অঞ্চলের বনভিত্তিক অর্থনীতি টেকসই হবে, সরকার পাবে প্রকৃত রাজস্ব এবং স্থানীয় পর্যায়ে বৈধ কাঠ ব্যবসা ও কর্মসংস্থানও সুরক্ষিত থাকবে।



