Shopping cart

  • Home
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • জবি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ অর্ঘ্য-চন্দনের বিরুদ্ধে।

জবি শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ অর্ঘ্য-চন্দনের বিরুদ্ধে।

জুন ২৭, ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নাট্যকলা বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী অর্ঘ্যশ্রেষ্ঠ দাস এবং মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী চন্দন কুমার দাসের বিরুদ্ধে বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী ও জবি রিপোর্টার্স ইউনিটির এক সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নাট্যকলা বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী অর্ঘ্যশ্রেষ্ঠ দাস এবং মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী চন্দন কুমার দাসের বিরুদ্ধে বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী ও জবি রিপোর্টার্স ইউনিটির এক সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।

জবি প্রতিনিধি:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নাট্যকলা বিভাগের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী অর্ঘ্যশ্রেষ্ঠ দাস এবং মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী চন্দন কুমার দাসের বিরুদ্ধে বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী ও জবি রিপোর্টার্স ইউনিটির এক সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (২৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরে অনুষ্ঠিত সাধারণসভা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সভার একপর্যায়ে একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে অর্ঘ্যশ্রেষ্ঠ দাস ও চন্দন কুমার দাসের সঙ্গে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি সাংবাদিক অপূর্ব রায়ের ওপর হামলার চেষ্টা করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাদের নির্দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯তম ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থী হামলায় অংশ নেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে প্রত্যয় চৌধুরী সাংবাদিক অপূর্ব রায়কে থাপ্পড় মারেন। পরে শুভ নাথ ও প্রান্ত দেশীয় অস্ত্র ও বাঁশ নিয়ে তার ওপর হামলার চেষ্টা করেন। এ সময় উপস্থিত অন্য শিক্ষার্থীরা বাধা দিতে গেলে তাদের সঙ্গেও ধস্তাধস্তি ও হামলার ঘটনা ঘটে। এতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্র ফোরামের সদস্য সচিব জয় সাহা আহত হন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত সাংবাদিক অপূর্ব রায়কে উদ্ধার করে নিরাপদে তার বাসায় পৌঁছে দেয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. নঈম সিদ্দিকী বলেন, “আহত শিক্ষার্থীকে আমি নিজ দায়িত্বে বাসায় পৌঁছে দিয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আহত সাংবাদিক অপূর্ব রায় অভিযোগ করে বলেন, “পূর্বের একটি ঘটনার জের ধরে সাধারণসভা চলাকালে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়। অর্ঘ্যশ্রেষ্ঠ দাস ও চন্দন কুমার দাসের সঙ্গে থাকা প্রত্যয় আমার গায়ে হাত তোলে এবং শুভ বাঁশ নিয়ে আমাকে আক্রমণ করতে আসে।”

এদিকে, হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সমাজকর্ম বিভাগের ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। শনিবার (২৭ জুন) এক বিবৃতিতে তারা হামলায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সহিংসতামুক্ত শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

উল্লেখ্য, অর্ঘ্যশ্রেষ্ঠ দাস ও চন্দন কুমার দাসের বিরুদ্ধে এর আগেও বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের হেনস্তা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছিল। এসব অভিযোগেরও সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *