Shopping cart

Magazines cover a wide array subjects, including but not limited to fashion, lifestyle, health, politics, business, Entertainment, sports, science,

  • Home
  • বাংলাদেশ
  • প্রশাসন
  • মারধরের প্রতিবাদে জবি শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, পুলিশের লাঠিচার্জে আহত ২।

মারধরের প্রতিবাদে জবি শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, পুলিশের লাঠিচার্জে আহত ২।

জুলাই ৭, ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, পুলিশের লাঠিচার্জ এবং সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, পুলিশের লাঠিচার্জ এবং সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে।

জবি প্রতিনিধি:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, পুলিশের লাঠিচার্জ এবং সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। অভিযুক্ত আশিক ও প্লাম্বার মাইকেলকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) মধ্যরাতে পুরান ঢাকার মুরগিটোলা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, আইন বিভাগের ১৯তম আবর্তনের শিক্ষার্থী আজহারুল ইসলাম রাহাত বাসার পানির লাইন মেরামতের জন্য বাড়িওয়ালাকে ৫০০ টাকা দেন। কাজ শেষ হওয়ার পর প্লাম্বার মাইকেল অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে রাহাত তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে মাইকেল রাহাতের জুতা নিয়ে চলে যান। জুতা ফেরত চাইতে গেলে বিরোধ হাতাহাতিতে গড়ায়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এ সময় বাড়িওয়ালার ছেলে আশিক ঘটনাস্থলে এসে রাহাতকে মারধর করেন। এতে রাহাতের মাথা ফেটে যায়। খবর পেয়ে তার সহপাঠী ও বন্ধুরা ঘটনাস্থলে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গেন্ডারিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় শিক্ষার্থীরা পুলিশের উপস্থিতিতেই আশিককে মারধরের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে।

লাঠিচার্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১৮তম আবর্তনের শিক্ষার্থী লিমন ইসলাম আহত হন। এছাড়া আহত রাহাতকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পর আশিক ও মাইকেলকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হলে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা মুরগিটোলা মোড় অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং দীর্ঘ সময় উত্তেজনা বিরাজ করে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. নাসির উদ্দীন বলেন, “আমি খোঁজ নিয়েছি। শিক্ষার্থীরা পুলিশের কাছ থেকে অভিযুক্তদের ছিনিয়ে নিয়ে মারতে চাইলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ করে এবং অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনে। দুজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আমরা তাদের খোঁজখবর রাখছি।”

এদিকে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া পুলিশের দায়িত্ব। কিন্তু শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এ বিষয়ে গেন্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, “আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম। তবে ডেমরা জোনের এডিসি মীর মুহাসীন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। বিস্তারিত তিনিই ভালো বলতে পারবেন।”

ডেমরা জোনের এডিসি মীর মুহাসীন বলেন, “পুলিশকে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা পাশে থাকা বাঁশ নিয়ে ধাওয়া দিতে এলে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। বিষয়টি আরও পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *