Shopping cart

  • Home
  • শিক্ষাঙ্গন
  • পলাশবাড়ী মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক: যা বললেন নবনির্বাচিত সভাপতি।

পলাশবাড়ী মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক: যা বললেন নবনির্বাচিত সভাপতি।

জুলাই ৫, ২০২৬

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌর শহরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘পলাশবাড়ী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’-এর নবগঠিত ম্যানেজিং কমিটির (এসএমসি) নির্বাচিত সভাপতিকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নানামুখী বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌর শহরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘পলাশবাড়ী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’-এর নবগঠিত ম্যানেজিং কমিটির (এসএমসি) নির্বাচিত সভাপতিকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নানামুখী বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

আশরাফুজ্জামান, গাইবান্ধাঃ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌর শহরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘পলাশবাড়ী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’-এর নবগঠিত ম্যানেজিং কমিটির (এসএমসি) নির্বাচিত সভাপতিকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নানামুখী বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

আর এই চলমান বিতর্কের মুখে আত্মপক্ষ সমর্থনে সাংবাদিকদের সামনে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন নবনির্বাচিত সভাপতি সুরুজ হক লিটন।

​আজ রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন।

​“এই বিদ্যালয়ের জমিদাতা আমার দাদা মরহুম ময়নুল হক মিয়া। তিনি অত্র বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ৩৫ শতক জমি দান করেছিলেন (যার মৌজা-নুনিয়াগাড়ী, জেএল নং-৬৯, দাগ নং-৮৪)।

সেই সূত্রে তার অবর্তমানে ওয়ারিশ হিসেবে আমি বিধি মোতাবেক জমিদাতা ক্যাটাগরিতে মনোনয়নপ্রাপ্ত হই। পরবর্তীতে গত ২৭ জুন/২৬ অনুষ্ঠিত ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে উপস্থিত সকলের সর্বসম্মতিক্রমে আমাকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।”

​তিনি আরও বলেন “বিদ্যালয়ের জমিদাতার বংশধর হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া এবং নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আইনি ও নৈতিক অধিকার আমার রয়েছে।

অতীতের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এই বিদ্যাপীঠের ঈর্ষণীয় অগ্রযাত্রা অক্ষুণ্ণ রাখতে আমি শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গণমাধ্যমকর্মীসহ সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করি।”

​সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে ওঠা বিতর্কের জবাবে সুরুজ হক লিটন বলেন, “একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে যেকোনো রাজনৈতিক মতাদর্শ লালন করার অধিকার সবার রয়েছে। সেখানে আদর্শিক ভিন্নতা থাকতেই পারে। ব্যক্তি হিসেবে দলীয় কর্মকাণ্ডে দল পরিবর্তন, প্রত্যাবর্তন কিংবা দলগতভাবে জোট পরিবর্তন করাও গণতন্ত্রের সৌন্দর্যের অংশ। একে পুঁজি করে বিদ্যালয়ের ঐতিহ্যকে ক্ষুণ্ণ করা সমীচীন নয়।”

​এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পলাশবাড়ী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাহেদার রহমান সরকার বলেন, “শতভাগ সরকারি বিধিমালা ও নিয়ম অনুসরণ করেই বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির (এসএমসি) নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এখানে বিধি লঙ্ঘনের বা অনিয়মের বিন্দুমাত্র কোনো সুযোগ ছিল না। নির্বাচনটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হয়েছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *