Shopping cart

  • Home
  • শিক্ষাঙ্গন
  • দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর হাতে দেওয়ার দাবি, এক মাসের আল্টিমেটাম জকসুর।

দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর হাতে দেওয়ার দাবি, এক মাসের আল্টিমেটাম জকসুর।

জুলাই ৫, ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দ্বিতীয় ধাপের নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়ে এক মাসের আল্টিমেটাম দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দ্বিতীয় ধাপের নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়ে এক মাসের আল্টিমেটাম দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।

জবি প্রতিনিধি :

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দ্বিতীয় ধাপের নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়ে এক মাসের আল্টিমেটাম দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)। একই সঙ্গে নির্মাণাধীন দুটি ছাত্রহলের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা এবং শিক্ষার্থীদের বিশেষ বৃত্তির বাকি অর্থ দ্রুত ছাড়েরও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

রোববার (৫ জুলাই) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক ভবনের নিচে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন জকসুর নেতারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, সমাজসেবা সম্পাদক, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনে ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, শুরু থেকেই দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দ্বিতীয় ধাপের নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তরের দাবিতে জকসু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা এবং জনমত গঠনে কাজ করে আসছে। তিনি জানান, প্রকল্পের ডিপিপি ইউজিসিতে পাঠানো হয়েছে এবং সংশোধনের পর পুনরায় জমা দেওয়া হলেও কাজ হস্তান্তরের বিষয়ে এখনও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।

তিনি বলেন, “এতে প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। আমরা আজ উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। তিনি আমাদের জানিয়েছেন, সেনাবাহিনীর কাছে কাজ হস্তান্তরের বিষয়ে তিনি আন্তরিক এবং ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছেন।”

জকসুর পক্ষ থেকে আগামী এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় ধাপের নির্মাণকাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দাবি জানানো হয়। রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “যদি এক মাসের মধ্যে এই দাবি বাস্তবায়ন না হয়, তাহলে ১৭ হাজার শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”

নির্মাণাধীন দুটি ছাত্রহল প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেনাবাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই দুটি হলের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়েছে। জকসু এ আশ্বাসকে ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে প্রশাসনের কার্যকর তদারকির দাবি জানিয়েছে।

বিশেষ বৃত্তির বিষয়ে জকসু জানায়, আন্দোলনের পরও এখন পর্যন্ত মাত্র ১০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে, যা প্রতিশ্রুত অর্থের তুলনায় খুবই কম। সংগঠনটির দাবি, প্রতিশ্রুত মোট ৫৬ কোটি টাকার মধ্যে বাকি ৪৬ কোটি টাকা দ্রুত শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দিতে হবে। এ বিষয়ে প্রশাসন চলতি বাজেটে অর্থ বরাদ্দের আশ্বাস দিলেও নির্দিষ্ট পরিমাণ জানায়নি।

সংবাদ সম্মেলনে জকসুর নেতারা বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে প্রয়োজন হলে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে। তবে কোনো ধরনের গড়িমসি বা অনিয়ম দেখা দিলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের পথেও যেতে তারা প্রস্তুত।

এ ছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিও ঘোষণা করে জকসু। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে জুলাই শহীদ ইকরামুল হক সাজিদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ, তার নামে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ, জুলাইভিত্তিক গ্রাফিতি অঙ্কন, হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে কর্মসূচি, ‘৩৬ জুলাই’ র‌্যালি, আবৃত্তি, ক্যালিগ্রাফি, আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ভিডিও প্রতিযোগিতা, সেমিনার এবং বিভিন্ন সৃজনশীল আয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনের শেষে জকসুর নেতারা এসব কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *