নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনকে ঘিরে বিএনপিতে জোর আলোচনা চলছে। দীর্ঘদিন পর সংগঠনটির নেতৃত্বে পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় পদপ্রত্যাশী নেতাদের মধ্যে তৎপরতা বেড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে আলোচনায় উঠে এসেছে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স-এর নাম।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ছাত্রদলের আসন্ন কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স। আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং ছাত্রসমাজে গ্রহণযোগ্যতার কারণে তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন।
বিশেষ করে ২০১১–১২ সেশনের নেতাদের মধ্যে প্রিন্সসহ কয়েকজনকে সম্ভাবনাময় নেতৃত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সংগঠনের ভেতরে তার দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় উপস্থিতি তাকে এই দৌড়ে এগিয়ে রেখেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা যায়, দলের দুঃসময়ে ও বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের শাসনামলে নির্যাতিত ও ত্যাগী ছাত্রনেতাদের মধ্যে অন্যতম প্রিন্স। জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা এবং জুলাই পরবর্তী সময়ে নেতৃত্বগুণাবলীর মাধ্যমে ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ে সমন্বয় করা নেতৃত্বের দক্ষতায় শীর্ষ পদের অন্যতম দাবিদার ছাত্রদলের মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স।
ছাত্রদলের দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে রাজপথের আন্দোলনে অংশগ্রহণ, ত্যাগ, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষার্থীদের সাথে সংযোগকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এসব মানদণ্ডে মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন বলেই তিনি আলোচনায় রয়েছেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সাংসদের চলমান কমিটির সাহিত্য ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক পদে থাকা এই নেতা ২০২৫ ও ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত অমর একুশে গ্রন্থ মেলায় প্রকাশ করেন ছাত্রদলের একাধিক সম্পাদনা। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ২০২৬ সালে প্রকাশিত দল- দীপশিখা। যার নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন কেন্দ্র সাংসদের এই নেতা।
এদিকে, ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় দ্রুত নতুন কমিটি গঠনের গুঞ্জন উঠেছে। সংগঠনের নেতাকর্মীরা চান—কাউন্সিল বা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতাদের নিয়ে নতুন নেতৃত্ব গঠন করা হোক।



