দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ): সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ কর্তৃক স্থানীয়দের জড়িয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ বাদী হয়ে দায়েরকৃত মামলা মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মামলায় অভিযুক্ত রা।
রোববার (১৭মে) দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মামলায় অভিযুক্তরা।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বালু উত্তোলন সংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি মহল সামাজিকভাবে হৈপ্রতিপন্ন ও হয়রানির উদ্দেশ্যে পুলিশকে ভুল তথ্য দিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করিয়েছে।
ব্যক্তিগত বিরোধ ও প্রতিহিংসার জেরে পরিকল্পিতভাবে নিরীহ মানুষকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনকারীদে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি কুচক্রী মহল নানা উপায়ে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। সম্প্রতি পুলিশের দায়ের করা মামলায় সম্পূর্ণ মিথ্যাভাবে নিরীহ ও নিরপরাধ ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।
তারা আরো বলেন, “আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রশাসনের কাছে আমাদের একটাই দাবি, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হোক। মিথ্যা মামলা দিয়ে কাউকে হয়রানি করা কখনোই কাম্য নয়।”
অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে তিনজন। তারা হলেন, সদর ইউনিয়নের মাছিমপুর গ্রামের আহমদ আলী’র ছেলে আঃ আজিদ (৪০), সুরমা ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রামের সৈয়দ আহমদের ছেলে আব্দুর রহমান (৩০), এবং আ:ছমাদ এর ছেলে মইমুদ্দিন (৩৫)।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, “তদন্ত সাপেক্ষে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযানের সময় তারা পালিয়ে গিয়েছিল।”


