Shopping cart

  • Home
  • শিক্ষাঙ্গন
  • লিডিং ইউনিভার্সিটিতে ইইই নবীনদের বরণ ও অভিবাদন: শিক্ষায় ঐক্য ও দক্ষতার প্রত্যয়।

লিডিং ইউনিভার্সিটিতে ইইই নবীনদের বরণ ও অভিবাদন: শিক্ষায় ঐক্য ও দক্ষতার প্রত্যয়।

জুলাই ৭, ২০২৬

সিলেটের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) ডিপার্টমেন্টের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে সামার সেমিস্টার ২০২৬-এ ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যালারি-১ এ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সিলেটের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) ডিপার্টমেন্টের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে সামার সেমিস্টার ২০২৬-এ ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যালারি-১ এ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাহফুজ কাউসার ছাদি, প্রতিনিধি :

সিলেটের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) ডিপার্টমেন্টের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে সামার সেমিস্টার ২০২৬-এ ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যালারি-১ এ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইইই ডিপার্টমেন্টের সকল শিক্ষার্থীর আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন এবং সভাপতিত্ব করেন ইইই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান মো. নিয়াজ মোরশেদুল হক।

মোঃ হাসান মাহদী ও তানিশা জান্নাত শান্তা এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে ৪৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা নবীনদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। পরে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মোঃ আরাফাত রহমান তালহা এবং পবিত্র গীতা পাঠ করেন সোহাগ মজুমদার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন বলেন, ইইই বিভাগে এই প্রাণবন্ত আয়োজন দেখে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। এ ধরনের প্রোগ্রাম শুধু বিভাগের সৌন্দর্যই ফুটিয়ে তোলে না, বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঐক্য ও সহমর্মিতার বন্ধনও দৃঢ় করে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আরও বলেন, প্রোগ্রাম আয়োজনের পাশাপাশি একাডেমিক ক্যারিয়ারকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে এবং শিক্ষকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে তাদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা থেকে সর্বোচ্চ গ্রহণ করার আহ্বান জানান। তার মতে, প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পাশাপাশি সুষ্ঠু বিনোদনেরও প্রয়োজন রয়েছে, আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলা হলো স্বাস্থ্যকর বিনোদনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ, যা মানসিক বিকাশ ও সামগ্রিক ব্যক্তিত্ব গঠনে সহায়তা করে।

সভাপতির বক্তব্যে মো. নিয়াজ মোরশেদুল হক বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে ইইই ইঞ্জিনিয়ারের বিকল্প নেই। বর্তমান বিশ্বে প্রতিটি ক্ষেত্রেই ডিজিটালাইজেশন ও অটোমেশন গভীরভাবে প্রবেশ করেছে, সেখানে ইইই ডিপার্টমেন্টের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি নবীনদের প্রতি আহ্বান জানান, নিজেদের গঠনে সর্বোচ্চ মনোযোগী হতে এবং পড়াশোনার পাশাপাশি প্র্যাকটিক্যাল দক্ষতা, গবেষণামুখী মানসিকতা ও নৈতিক দায়িত্ববোধ অর্জনে গুরুত্ব দিতে। তিনি উল্লেখ করেন, এই বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেউ ইতিমধ্যে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন, আবার কেউ ইউরোপের মর্যাদাপূর্ণ ইরাসমাস মুন্ডাস স্কলারশিপ অর্জন করে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন। প্রতি ব্যাচের প্রায় ৭০-৮০% শিক্ষার্থী বিভিন্ন স্কলারশিপ ও অন্যন্য প্রোগ্রামে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যাচ্ছে।

তিনি গর্বের সঙ্গে বলেন, তাঁরা যখন দেশে ফেরেন, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে স্মৃতিচারণা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন, যা বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। শেষে তিনি নবীনদের প্রতি আস্থা ব্যক্ত করেন যে, তারাও সেসব সিনিয়রের মতো যোগ্য হয়ে উঠবে এবং দেশ ও বিশ্বে ইইই বিভাগের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে।

ইইই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, এটি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, তাই তোমাদের নিজের দায়িত্ব নিজেই উপলব্ধি করা উচিত। পড়াশোনায় কোনো অবহেলা বা শৈথিল্য প্রদর্শন করলে তার ক্ষতি কেবলমাত্র নিজেদেরই হবে, কারণ এখানে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতাই ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের ভিত্তি রচনা করবে। তিনি শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ-সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে নিজেদের যোগ্য ও দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন ইইই ডিপার্টমেন্টের লেকচারার ও ৪৩ ব্যাচের এডভাইজার নাবিদ নেওয়াজ, লেকচারার ও ৪৫ ব্যাচের এডভাইজার তন্ময় চৌধুরী সোহেল, টাইটেল স্পন্সর আইইএলটিএস সেন্টারের প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম, কো-স্পন্সর চৌধুরী কনসালটেন্সির প্রতিনিধি ও উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই ডিপার্টমেন্টের সাবেক ছাত্র রাকিবুল আলম রাহি, সিনিয়র স্টুডেন্ট ফারিহা হক ফিমা, IEEE ক্লাবের চেয়ারপারসন খন্দকার সাঈদ এবং ইলেকট্রনিক্স ক্লাবের চেয়ারপারসন আবিদ খান প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *