Shopping cart

  • Home
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • দোয়ারাবাজারে এইচএসসি / আলিম পরীক্ষাকাণ্ড: ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়ে দুশ্চিন্তায় ৭৭ শিক্ষার্থী।

দোয়ারাবাজারে এইচএসসি / আলিম পরীক্ষাকাণ্ড: ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়ে দুশ্চিন্তায় ৭৭ শিক্ষার্থী।

জুলাই ১৫, ২০২৬

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বড়খাল বহুমুখী স্কুল অ্যান্ড কলেজে মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধিনে অনুষ্ঠিত চলমান আলিম পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র বিতরণে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বড়খাল বহুমুখী স্কুল অ্যান্ড কলেজে মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধিনে অনুষ্ঠিত চলমান আলিম পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র বিতরণে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ):

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বড়খাল বহুমুখী স্কুল অ্যান্ড কলেজে মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধিনে অনুষ্ঠিত চলমান আলিম পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র বিতরণে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নপত্র মজুত থাকা সত্ত্বেও ভুলবশত ই-রেগুলার প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষা নেওয়ায় ৭৭ জন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

জানা গেছে, গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত ইংরেজি দ্বিতীয় বিষয়ের পরীক্ষায় এই কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের হাতে ভুলবশত ই-রেগুলার প্রশ্নপত্র তুলে দেন। বিষয়টি বুঝতে না পেরে শিক্ষার্থীরা সেই প্রশ্নপত্রেই পরীক্ষা সম্পন্ন করে। পরে প্রশ্নপত্রের ধরন সম্পর্কে অবগত হলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীরা দ্রুত কার্যকর সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, প্রশাসনিক এই ভুলের দায় যেন কোনোভাবেই নিরীহ শিক্ষার্থীদের ওপর না পড়ে এবং তাদের ফলাফল বা শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কেন্দ্র সচিব এবং কালাউড়া দারুসসুন্নাত কাছিমিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা কালিম উল্লাহ অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, “আমাদের অনিচ্ছাকৃত ভুলে নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ই-রেগুলার প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।”

দায়িত্বরত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আবু হেনা মোস্তফা বলেন, “আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন যাতে কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে লক্ষ্যে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”

এদিকে, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, প্রশাসনিক ভুলের দায় কোনোভাবেই শিক্ষার্থীদের ওপর বর্তানো যাবে না। দ্রুত এমন একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে, যাতে ৭৭ জন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *