Shopping cart

  • Home
  • সারাদেশ
  • হাড়কাঁপানো শীতে জমিতে কাজ করছেন কৃষক-কৃষাণী, নিজ হাতে কম্বল জড়িয়ে দিলেন ইউএনও 

হাড়কাঁপানো শীতে জমিতে কাজ করছেন কৃষক-কৃষাণী, নিজ হাতে কম্বল জড়িয়ে দিলেন ইউএনও 

জানুয়ারি ২, ২০২৬

হাড়কাঁপানো শীতে জমিতে কাজ করছেন কৃষক-কৃষাণী, নিজ হাতে কম্বল জড়িয়ে দিলেন ইউএনও।

হাড়কাঁপানো শীতে জমিতে কাজ করছেন কৃষক-কৃষাণী, নিজ হাতে কম্বল জড়িয়ে দিলেন ইউএনও।

সোহেল মিয়া, দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ): সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় হাড়কাঁপানো শীতের মধ্যে হাওরে বোরো ধান রোপণে ব্যস্ত কৃষক-কৃষাণী, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে উপজেলা প্রশাসন।

প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত কম্বল নিয়ে শুক্রবার সকালে উপজেলা সদরের নাইন্দার হাওরে কৃষিকাজে ব্যস্থ বড়বন, মাইজখলা ও তেগাঙ্গা গ্রামের কৃষক-কৃষাণীদের কম্বল বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরুপ রতন সিংহ।

 

পৌষ মাসের তীব্র শীতে জনজীবন যখন বিপর্যস্ত, বিশেষ করে সীমান্তবর্তী হাওর অধ্যুষিত দুর্গম এলাকার দরিদ্র মানুষ যখন খড়কুটো জ্বালিয়ে কোনো মতে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন, ঠিক সেই সময় মানবিক সহায়তা নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ান ইউএনও।

এ সময় তিনি মাছিমপুর গ্রামে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসরত পরিবারগুলোর মাঝেও কম্বল বিতরণ করেন। পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মাদ্রাসা, এতিমখানা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুরে ঘুমন্ত অসহায় মানুষের গায়ে নিজ হাতে কম্বল জড়িয়ে দেন।

নীরব নির্জনে সরকারি এই উপহার পেয়ে অনেক শীতার্ত মানুষ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কেউ কৃতজ্ঞতার ভাষা হারিয়ে ফেলেন, কেউ চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।

এই মানবিক কার্যক্রমে দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লুৎফুর রহমান এবং উপজেলা প্রেসক্লাবের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয় এবং প্রকৃত অসহায়দের কাছেই কম্বল পৌঁছানো সম্ভব হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুপ রতন সিংহ বলেন,“তীব্র শীতে সাধারণ মানুষের কষ্ট অনুভব করেই এই ঝটিকা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। যারা লোকলজ্জার ভয়ে সাহায্য নিতে পারেন না কিংবা খোলা আকাশের নিচে রাত কাটান—মূলত তারাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। প্রধান উপদেষ্টার এই উপহার পর্যায়ক্রমে উপজেলার প্রতিটি শীতার্ত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *