Shopping cart

Magazines cover a wide array subjects, including but not limited to fashion, lifestyle, health, politics, business, Entertainment, sports, science,

  • Home
  • সারাদেশ
  • দোয়ারাবাজার থানা পুলিশের মানবিক উদ্যোগে দেড়বছর পর পরিবারে ফিরলেন নিখোঁজ যুবক

দোয়ারাবাজার থানা পুলিশের মানবিক উদ্যোগে দেড়বছর পর পরিবারে ফিরলেন নিখোঁজ যুবক

মার্চ ১২, ২০২৬

দোয়ারাবাজার থানা পুলিশের মানবিক উদ্যোগে দেড়বছর পর পরিবারে ফিরলেন নিখোঁজ যুবক।

দোয়ারাবাজার থানা পুলিশের মানবিক উদ্যোগে দেড়বছর পর পরিবারে ফিরলেন নিখোঁজ যুবক।

সোহেল মিয়া, দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ): সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার থানা পুলিশের মানবিক উদ্যোগে নিখোঁজের দেড় বছর পর পরিবারের সন্ধান পেয়েছেন শারিরীক প্রতিবন্ধী এক যুবক।

বুধবার (১১ মার্চ) দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ তাকে তার পরিবারের হাতে তুলে দেয়। ওই যুবক ভোলা জেলার সদর থানার নবীপুর এলাকার বাসিন্দা রইজল মিয়ার ছেলে রাজিব মিয়া (২৫)।

পুলিশ ও নিখোঁজের পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে শারীরিক প্রতিবন্ধী রাজিব মিয়া নিখোঁজ হন। নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরবর্তীতে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় রাজিব দোয়ারাবাজার সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের শিলং এলাকায় চলে যান। সেখানে স্থানীয় ভারতীয় নাগরিকরা তাকে দেখতে পেয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও ভারতীয় পুলিশের হাতে তুলে দেন। পরে ভারতীয় প্রশাসন বিষয়টি বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) ও পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিজিবি ও দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনে।

দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ রাজিবকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। তবে মানসিক ভারসাম্যহীন থাকায় তিনি নিজের পরিচয় স্পষ্টভাবে জানাতে পারেননি। পরে দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদারের দিকনির্দেশনায় থানা পুলিশের অন্যান্য সদস্যরা বিভিন্নভাবে তথ্য সংগ্রহ করে চার দিনের অনুসন্ধানে তার পরিবারের সন্ধান পান।

পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বুধবার (১১ মার্চ) তাকে তার বাবা রইজল মিয়ার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এই মানবিক উদ্যোগে দোয়ারাবাজার থানার ওসি তরিকুল ইসলাম তালুকদারের দিকনির্দেশনায় পরিচালিত কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মোহন রায়। তার আন্তরিকতা, দায়িত্ববোধ ও মানবিক প্রচেষ্টার ফলে দীর্ঘদিনের উৎকণ্ঠার অবসান ঘটে একটি পরিবারের।

এদিকে দেড় বছর পর ছেলেকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বাবা ও পরিবারের সদস্যরা। তারা দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ ও বাংলাদেশ পুলিশের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

দোয়ারাবাজার থানার ওসি তরিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, “থানার পুলিশ সদস্যদের দায়বদ্ধতা, দেশপ্রেম ও বিচক্ষণতার ফলেই শারীরিক প্রতিবন্ধী এই যুবককে তার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। মানবতার সেবায় এমন মহৎ কাজ করতে পেরে সত্যিই ভালো লাগছে।” তিনি এ কাজে জড়িত থানার সকল পুলিশ সদস্যকে ধন্যবাদ জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *