Shopping cart

Magazines cover a wide array subjects, including but not limited to fashion, lifestyle, health, politics, business, Entertainment, sports, science,

দোয়ারাবাজার উপজেলা হাসপাতাল যেন ময়লার ভাগাড়, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রোগীরা

আগস্ট ২৬, ২০২৫

দোয়ারাবাজার উপজেলা হাসপাতাল যেন ময়লার ভাগাড়, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রোগীরা।

দোয়ারাবাজার উপজেলা হাসপাতাল যেন ময়লার ভাগাড়, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রোগীরা।

সোহেল মিয়া, দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ): শয্যা সংখ্যা বাড়লেও সুযোগ-সুবিধা বাড়েনি সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধ বিপাকে ফেলছে রোগী, স্বজন ও দর্শনার্থীদের। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিতর এবং বাহিরের ডাস্টবিনে দীর্ঘ দিনের ঝমে থাকা আবর্জনায় ময়লার ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়ী করছেন চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগী ও দর্শনার্থিরা।

দোয়ারাবাজার উপজেলার একমাত্র চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র এই হাসপাতালের নোংরা পরিবেশ নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে আব্দুল আউয়াল,আব্দুল মোতালিব,নুর মোহাম্মদ সহ সেবা নিতে আসা একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, প্রতিদিন শত শত মানুষ চিকিৎসা নিতে এলেও চিকিৎসাসেবার মান আশানুরূপ নয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও বাড়েনি সুবিধা বরং বেড়েছে ভোগান্তি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে ছড়িয়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা। দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরাতন ভবনের দু’তলা ভবনে থাকা প্লাস্টিকের ডাস্টবিনের চারপাশে ময়লা আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পরায় দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। নতুন ভবন আর পুরাতন ভবন,দু’ভবনের মাঝখানের ডাস্টবিন পরিচ্ছন্ন না হওয়ায় দীর্ঘদিনের ঝমে থাকা আবর্জনায় ময়লার ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে। এথেকে দূর্গন্ধ ছড়িয়ে হাসপাতাল সহ আশপাশের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।

ওয়ার্ড ও জানালার পাশে জমে আছে পলিথিন, পরিত্যক্ত খাবার, ব্যবহৃত সিরিঞ্জসহ নানান আবর্জনা। এসব ময়লা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থা না থাকায় রোগী, স্বজন ও নার্সরাই জানালা দিয়ে বাইরে ফেলছেন, ফলে নিচে তৈরি হয়েছে ময়লার ভাগাড়।

হাসপাতালের ভেতরে ঘোরাফেরা করছে একাধিক বেওয়ারিশ কুকুর। জরুরি বিভাগের বারান্দা থেকে শুরু করে আশপাশে অবাধে চলাফেরা করছে এসব কুকুর। এতে রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরো বেশি।

এ অবস্থায় সেবার পরিবেশ যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি বাড়ছে সংক্রমণের সম্ভাবনাও। কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ বাড়ছে।

ওয়ার্ডে থাকা একাধিক রোগি বলেন, ‘শয্যার সংখ্যা বাড়লেও সুযোগ-সুবিধা বাড়েনি। দুর্গন্ধে থাকা যাচ্ছে না। কর্তৃপক্ষ একটু সচেতন হলে এমন হতো না।, ‘পরিচ্ছন্নতা না থাকার কারণে দুর্গন্ধে খুব বাজে অবস্থায় আছি। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের তেমন কোনো তৎপরতা নেই।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শুধু পরিচ্ছন্নতার অভাব নয়, রয়েছে ওষুধ সংকট, নার্স-ডাক্তারের দায়িত্বে অবহেলা ও স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও।

এবিষয়ে দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আবু সালেহীন খাঁন জানান,পরিচ্ছন্নতা কর্মী অস্থায়ী ভাবে আছে। আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের ঠিকাদার নিয়োগ দিয়েছিল ৫ জন। কিন্ত গত ২ মাস ধরে বেতন না থাকায় তারা কাজের ফাঁকি দিচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *