Shopping cart

জবিতে সাবেক ছাত্রলীগকর্মীর বিরুদ্ধে নারীসহ আপত্তিকর কর্মকাণ্ডের অভিযোগ।

জুলাই ২৩, ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) মধ্যরাতে সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ সামনে এসেছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) মধ্যরাতে সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ সামনে এসেছে।

জবি প্রতিনিধি:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) মধ্যরাতে সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ সামনে এসেছে। এবার লিখিত অভিযোগকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮তম আবর্তনের শিক্ষার্থী হাসনান আল সাবিত (সাবায়েত)-এর বিরুদ্ধে বহিরাগত নারীকে নিয়ে ক্যাম্পাসে আপত্তিকর কর্মকাণ্ড, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় থাকা এবং সাবেক ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ তুলেছেন অভিযুক্ত শিক্ষার্থী শের আলী।

বুধবার (২২ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এসব অভিযোগ করেন শের আলী।

পোস্টে তিনি দাবি করেন, রাত আনুমানিক ২টার দিকে ক্যাম্পাসে মোটরসাইকেল রাখতে গেলে এক বহিরাগত ছেলে ও এক বহিরাগত নারীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। পরিচয় জানতে চাইলে সাবায়েত ওই নারীকে তার বাগদত্তা এবং ছেলেটিকে ছোট ভাই হিসেবে পরিচয় দেন। এ সময় সাবায়েত তাকে ধাক্কা দেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

শের আলীর দাবি, সাবায়েত ও ওই নারী নেশাগ্রস্ত ছিলেন এবং অকথ্য ভাষায় চিৎকার করছিলেন। পরে তিনি ক্যাম্পাস ছেড়ে ভিক্টোরিয়া পার্ক এলাকায় গেলে সেখানে সাবায়েত তাকে হুমকি দেন। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনায় তার টি-শার্ট ছিঁড়ে ফেলা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাবায়েত পার্ক এলাকার কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে ক্যাম্পাসে মাদক সেবন করেন। ঘটনার সময়কার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করা হলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলেও দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানান।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাবায়েতের সঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইব্রাহীম ফরাজীসহ কয়েকজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতার ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ছবি ঘিরে তার বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জবি শাখার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগও উঠেছে।

অন্যদিকে লিখিত অভিযোগ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে সাবায়েত এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনার দিন তার ছোট ভাইকে নিয়ে ক্যাম্পাসে গেলে শের আলী ও তার সহযোগীরা বিনা উসকানিতে হামলা চালান। পরে ক্যাম্পাসের বাইরে ভিক্টোরিয়া পার্ক এলাকায় আবারও তাকে মারধর করা হয়।

এ ঘটনায় তার বাগদত্তাও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ করেন।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, “সাবায়েত আমাদের কাছে অভিযোগ জমা দিয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণসহ উভয় পক্ষের বক্তব্য নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করা হবে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *