Shopping cart

  • Home
  • বাংলাদেশ
  • অপরাধ
  • দোয়ারাবাজার সীমান্তের ত্রাস ১১ মামলার আসামী চোরাকারবারি দেলোয়ার অবশেষে পুলিশের খাঁচায়।

দোয়ারাবাজার সীমান্তের ত্রাস ১১ মামলার আসামী চোরাকারবারি দেলোয়ার অবশেষে পুলিশের খাঁচায়।

জুলাই ২৩, ২০২৬

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে হত্যা, বিজিবির ওপর হামলা, মাদক ও চোরাচালানসহ ১১টি ফৌজদারি মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি এবং ৬টি গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত দুর্ধর্ষ চোরাকারবারি দেলোয়ার হোসেনকে (৩২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় কুঁড়েঘর নির্মাণ করে আত্মগোপনে থাকা দেলোয়ারকে ছদ্মবেশে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে আটক করা হয়।

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে হত্যা, বিজিবির ওপর হামলা, মাদক ও চোরাচালানসহ ১১টি ফৌজদারি মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি এবং ৬টি গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত দুর্ধর্ষ চোরাকারবারি দেলোয়ার হোসেনকে (৩২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় কুঁড়েঘর নির্মাণ করে আত্মগোপনে থাকা দেলোয়ারকে ছদ্মবেশে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে আটক করা হয়।

দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ):

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে হত্যা, বিজিবির ওপর হামলা, মাদক ও চোরাচালানসহ ১১টি ফৌজদারি মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি এবং ৬টি গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত দুর্ধর্ষ চোরাকারবারি দেলোয়ার হোসেনকে (৩২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় কুঁড়েঘর নির্মাণ করে আত্মগোপনে থাকা দেলোয়ারকে ছদ্মবেশে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে আটক করা হয়।

বুধবার (২২ জুলাই) রাতে উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের মৌলারপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত দেলোয়ার হোসেন উপজেলার ১ নম্বর বাংলাবাজার ইউনিয়নের মৌলারপাড় গ্রামের রফিকুল ইসলাম ওরফে রফুর ছেলে। তিনি সীমান্ত এলাকার চিহ্নিত চোরাকারবারি ও মাদক ব্যবসার অন্যতম হোতা হিসেবে পরিচিত।

দোয়ারাবাজার থানার তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে হত্যা, সীমান্তে বিজিবির ওপর হামলা, মাদক ও চোরাচালানসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মোট ১১টি পৃথক মামলা দায়ের হয়েছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে পূর্বে জারি করা ৬টি গ্রেফতারি পরোয়ানাও কার্যকর হয়নি।

পুলিশ জানায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে দেলোয়ার দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্তসংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে কুঁড়েঘর তৈরি করে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর দোয়ারাবাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তানজির আহমেদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করে।

অভিযানে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আশরাফ খান, এএসআই আবু নাঈম ও এএসআই মো. আমির হোসেন সিকদার অংশ নেন। ছদ্মবেশে এলাকায় অবস্থান নিয়ে কৌশলগতভাবে ঘেরাও করার পর অভিযান চালিয়ে দেলোয়ারকে গ্রেফতার করা হয়।

দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “দেলোয়ার হোসেন এলাকার চিহ্নিত চোরাকারবারি এবং একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে। অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *