Shopping cart

Magazines cover a wide array subjects, including but not limited to fashion, lifestyle, health, politics, business, Entertainment, sports, science,

  • Home
  • বাংলাদেশ
  • দুর্ঘটনা
  • কুতুবজোমে পানিবন্দি ২৫০ পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন, ত্রাণ-চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ।

কুতুবজোমে পানিবন্দি ২৫০ পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন, ত্রাণ-চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ।

জুলাই ১২, ২০২৬

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাঙ্গা এলাকায় টানা অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি হয়ে পড়া ২৫০টি অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী, চিকিৎসাসেবা এবং বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করেছে মহেশখালী উপজেলা প্রশাসন।

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাঙ্গা এলাকায় টানা অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি হয়ে পড়া ২৫০টি অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী, চিকিৎসাসেবা এবং বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করেছে মহেশখালী উপজেলা প্রশাসন।

নুরুল করিম, মহেশখালী প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ঘটিভাঙ্গা এলাকায় টানা অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি হয়ে পড়া ২৫০টি অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী, চিকিৎসাসেবা এবং বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করেছে মহেশখালী উপজেলা প্রশাসন।

শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মোহাম্মদ ডালিমের নেতৃত্বে পরিচালিত এ কার্যক্রমে ঘটিভাঙ্গার পূর্বপাড়া, মাঝেরপাড়া, পশ্চিমপাড়া ও উত্তর খোন্দকারপাড়ার পানিবন্দি পরিবারের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অসুস্থ ব্যক্তিদের চিকিৎসাসেবা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হয়।

দুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ, চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু জাফর মজুমদার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সৌভ্রাত দাশ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. জিসান, কুতুবজোম ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রতিনিধি আজিজুল হক, কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মিশকাত হোসেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রতিনিধি সাফায়েত দিদার, আনসার সদস্য, গ্রাম পুলিশ, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সদস্য এবং সিপিপির সদস্যরা।

ত্রাণ বিতরণকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মোহাম্মদ ডালিম জানান, চলমান দুর্যোগ মোকাবিলায় মহেশখালী উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার জন্য সরকারিভাবে ২ লাখ মেট্রিক টন চাল এবং নগদ ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কোনো পরিবারকে একা রাখা হবে না। পর্যায়ক্রমে ক্ষতিগ্রস্ত সকল মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।”

এদিকে, আকস্মিক এই জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি পরিবারগুলোর মাঝে উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা প্রশাসনের এ মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *