Shopping cart

  • Home
  • শিক্ষাঙ্গন
  • জবিতে স্থানসংকটের মাঝেও অক্ষত শেখ মুজিবের ম্যুরাল।

জবিতে স্থানসংকটের মাঝেও অক্ষত শেখ মুজিবের ম্যুরাল।

জুলাই ১১, ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র স্থানসংকট, একাডেমিক অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধার অভাবের মতো নানা সমস্যার মুখোমুখি। এমন বাস্তবতায় ছোট পরিসরের এই ক্যাম্পাসে স্থাপিত শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালটি এখনো অক্ষত অবস্থায় থাকায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র স্থানসংকট, একাডেমিক অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধার অভাবের মতো নানা সমস্যার মুখোমুখি। এমন বাস্তবতায় ছোট পরিসরের এই ক্যাম্পাসে স্থাপিত শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালটি এখনো অক্ষত অবস্থায় থাকায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

জবি প্রতিনিধি:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র স্থানসংকট, একাডেমিক অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধার অভাবের মতো নানা সমস্যার মুখোমুখি। এমন বাস্তবতায় ছোট পরিসরের এই ক্যাম্পাসে স্থাপিত শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালটি এখনো অক্ষত অবস্থায় থাকায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গণিত বিভাগের সামনে শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালটি উদ্বোধন করা হয়। তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে নির্মিত এ ম্যুরালটির উদ্বোধন করেন।

সম্প্রতি দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন সরকারি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল অপসারণ, স্থানান্তর কিংবা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। তবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ম্যুরালটির ছবির কিছু অংশ বিকৃত হলেও মূল অবকাঠামো এখনো অক্ষত রয়েছে এবং আগের স্থানেই রয়েছে।

এদিকে, ছোট আয়তনের এই ক্যাম্পাসে প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থীর চলাচল হলেও শ্রেণিকক্ষ, গবেষণাগার, আবাসন, উন্মুক্ত স্থান এবং অন্যান্য অবকাঠামোগত সুবিধার সংকট দীর্ঘদিনের। শিক্ষার্থীদের একাংশের মতে, নতুন একাডেমিক ভবন, শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত পরিসর এবং আধুনিক শিক্ষা অবকাঠামো নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা বেশি থাকলেও সীমিত জায়গায় বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের অগ্রাধিকার নিয়ে ভাবার সুযোগ রয়েছে।

তবে ম্যুরালটি অপসারণ, সংরক্ষণ বা স্থানান্তরের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, স্থায়ী কোনো স্থাপনা অপসারণের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হওয়ায় বিষয়টি এখনো সিদ্ধান্তের পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

এ বিষয়ে জবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। এ বিষয়ে প্রোসেস মেইনটেইন করে আলোচনা পূর্বক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *