Shopping cart

  • Home
  • বাংলাদেশ
  • অন্যান
  • তারুণ্যের উৎসবে ভেদভেদী পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া প্রতিভা উন্মোচন

তারুণ্যের উৎসবে ভেদভেদী পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া প্রতিভা উন্মোচন

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬

তারুণ্যের উৎসবে ভেদভেদী পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া প্রতিভা উন্মোচন।

তারুণ্যের উৎসবে ভেদভেদী পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া প্রতিভা উন্মোচন।

আহমদ বিলাল খান: “এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই” স্লোগানকে সামনে রেখে রাঙামাটির ভেদভেদী পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ে তারুণ্যের শক্তিকে উজ্জ্বল করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তারুণ্যের উৎসব-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়, এতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে তাদের দক্ষতা ও উদ্যম প্রদর্শন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি লন্ডনপ্রবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোহাম্মদ সেলিম হায়দার বলেন, আমি স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে একটি বিশেষ প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নিতে চাই। এই প্যানেলের মাধ্যমে ভালো ফলাফল করা শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ ও আর্থিক অনুদান প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে। এতে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরাও উৎসাহিত হবে এবং আরও ভালো ফলাফল করার আগ্রহী হয়ে উঠবে।

তিনি বলেন, এবার তাৎক্ষণিকভাবে বাস্তবায়ন নাও হতে পারে, তবে আগামীবার দেশে এলে বিষয়টি কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। আমি চাই, এই স্কুলের ছেলে-মেয়েরা ভবিষ্যতে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠুক এবং সমাজে অবদান রাখুক।

বিশেষ অতিথি এডভোকেট কাজী মঈনুল ইসলাম বলেন, যদিও বর্তমানে আমি আইন পেশায় নিয়োজিত, জীবনের শুরু শিক্ষকতা দিয়েই করেছি। দীর্ঘ ১৭ বছর শিক্ষকতা করেছি এবং তিনটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। আজকের এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আবারও মিশতে সুযোগ করে দিয়েছে, যা আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে অনুভব করছি। শিক্ষার মান উন্নয়ন ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সহায়তায় আমি বিনা স্বার্থে পাশে থাকব।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিবলী কান্তি চাকমা বলেন, শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। তাই বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা প্রতি বছর নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হয়। খেলাধুলা শিক্ষার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত; এটি শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা, সহনশীলতা ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণই মূল উদ্দেশ্য; জয়-পরাজয় নয়। যারা এবারে জয়ী হননি, তারা আগামী প্রতিযোগিতায় সুযোগ পাবেন।

একজন অভিভাবক বলেন, আমার সন্তান এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পেরে খুব আনন্দিত। এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়ক। আমরা অভিভাবকরা চাই, বিদ্যালয় ভবিষ্যতেও নিয়মিত এই ধরনের প্রতিযোগিতা আয়োজন চালিয়ে যাক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *