Shopping cart

Magazines cover a wide array subjects, including but not limited to fashion, lifestyle, health, politics, business, Entertainment, sports, science,

  • Home
  • বাংলাদেশ
  • অন্যান
  • প্রভাব খাটিয়ে নিজ বাড়ির সামনে দিয়ে বাস নিয়ে গেলেন জবি ছাত্রশক্তি নেতা, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

প্রভাব খাটিয়ে নিজ বাড়ির সামনে দিয়ে বাস নিয়ে গেলেন জবি ছাত্রশক্তি নেতা, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

মার্চ ১৫, ২০২৬

প্রভাব খাটিয়ে নিজ বাড়ির সামনে দিয়ে বাস নিয়ে গেলেন জবি ছাত্রশক্তি নেতা, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা।

প্রভাব খাটিয়ে নিজ বাড়ির সামনে দিয়ে বাস নিয়ে গেলেন জবি ছাত্রশক্তি নেতা, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা।

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৭টি বিভাগের জন্য ৯টি বাসের ব্যবস্থা করা হয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, নিজের সুবিধার জন্য জবি ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব শাহীন মিয়া বাসের নির্ধারিত রুট পরিবর্তন করে তার বাড়ির সামনে দিয়ে নিয়ে যেতে চালককে বাধ্য করেন। এতে বাসে থাকা শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়।

শনিবার (১৪ মার্চ) খুলনাগামী জবির কালিগঙ্গা বাসে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, বাসটি নির্ধারিতভাবে মধুখালি-কামারখালি সড়ক দিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই রুট এড়িয়ে শাহীন মিয়া মাছকান্দী এলাকা থেকে বাসটিকে ভেতরের রাস্তা দিয়ে ঘুরিয়ে নেওয়ার জন্য চালকের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। ফলে বাসটিকে অতিরিক্ত প্রায় ১৭ কিলোমিটার ভাঙাচোরা রাস্তা পাড়ি দিতে হয়।

শিক্ষার্থীরা জানান, কামারখালী হয়ে মেইন রোডে অন্তত ৮ থেকে ১০ জন যাত্রীর নামার কথা ছিল এবং সেটিই ছিল নির্ধারিত রুট। কিন্তু রুট পরিবর্তনের কারণে তারা চরম ভোগান্তির শিকার হন। এ সময় কয়েকজন যাত্রী প্রতিবাদ করলে তাদের মধ্যে কয়েকজনকে বাস থেকে নেমে যেতে বাধ্য করা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে।

দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী রাহুল শেখ বলেন, ‘আজকে খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া কালিগঙ্গা বাসের রুট ছিলো ফরিদপুরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড় থেকে মাগুরা ভায়েনা মোড় দিয়ে খুলনা। এই পথ পারি দেওয়ার সবচেয়ে সহজ এবং ঝুঁকিমুক্ত রাস্তা মধুখালি দিয়ে কামারখালি হয়ে মাগুরা। এছাড়াও মধুখালি এবং কামারখালি’র ১০/১২ জন শিক্ষার্থী এই বাসে উপস্থিত ছিলো। জকসু’র এজিএস প্রার্থী শাহিন মিয়া নিজের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ১০/১২ জন শিক্ষার্থীকে কাঙ্ক্ষিত স্থানে নামিয়ে না দিয়ে তার স্বেচ্ছাচারিতায় নিজস্ব রুটে বাস নিতে বাধ্য করে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি এবং আরও কয়েকজন এ বিষয়ে কথা বললে কোনো যৌক্তিক সমাধান তিনি দিতে পারেননি এবং আমাদেরকে মাঝপথে নামিয়ে দিতে বাধ্য করে। এতে আমাদের বাসযাত্রায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।’

আশরাফুজ্জানমান জনি নামের এক শিক্ষার্থী জানান, ‘প্রায় ২-২:৩০ ঘন্টা সময় বেশি লাগছে। কিছু বলার নাই।’

রাকিব রায়হান নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘বার বার বলার পরও বাস মধুখালি-কামারখালি দিয়ে না নিয়ে মাছকান্দী থেকে ভিতর দিয়ে নিয়েছে। পরে আমরা ২ জন মাছকান্দী নেমে গিয়েছিলাম।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জবি ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব শাহীন মিয়া। তিনি বলেন, ‘রুট পরিবর্তন নিয়ে আমি কোনো কথা বলিনি। বাসের চালক যিনি, তিনি মাগুরার হওয়ায় রুট ভালো চেনেন। আমার বাড়িও মাগুরায় হলেও আমি ২০১৮ সাল থেকে এখানে থাকি। চালকের মামা বলেছেন, এদিক দিয়ে গেলে ১২-১৫ কিলোমিটার রাস্তা কম হবে, সেজন্য বাইপাস দিয়ে যাওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাইপাস দিয়ে যাওয়ার আগে বাসে থাকা শিক্ষার্থীদের মতামত নেওয়া হয়েছিল। দুই-তিনজন ছাড়া প্রায় সবাই সম্মতি দিয়েছিল, তাই ওই রুটে যাওয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *