নিজস্ব প্রতিবেদক, পাপলু মিয়া ছাতক , সুনামগঞ্জ:
সুনামগঞ্জ জেলা সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজিঃ নং চট্রঃ ১৬৯৩/৯৩) ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনকে ঘিরে গোবিন্দগঞ্জস্থ প্রধান কার্যালয় ও আশেপাশের এলাকায় এখন তীব্র নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে।
আগামী ২৭ জুন, শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচনে কে হবেন শ্রমিকদের পরবর্তী কর্ণধার, তা নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। সংগঠনের শীর্ষ পদ ‘সভাপতি’ পদে বর্তমান সভাপতি সোহেল আহমদ এবং সাবেক সভাপতি আফতাব উদ্দিনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
নির্বাচনকে সামনে রেখে দুই প্রার্থীই তাদের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নিজেদের অতীত কর্মকাণ্ড তুলে ধরার পাশাপাশি সংগঠনের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তারা।
বর্তমান সভাপতি সোহেল আহমদ তার গত মেয়াদের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও শ্রমিকদের কল্যাণে নেওয়া পদক্ষেপগুলোকে পুঁজি করে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করছেন। তার অনুসারীদের দাবি, সংগঠনের শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং শ্রমিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে সোহেল আহমদের নেতৃত্ব অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রেখেছে।তারা সংগঠনের ধারাবাহিক অগ্রগতির স্বার্থে তাকেই পুনরায় নির্বাচিত করার পক্ষে।
অন্যদিকে, সাবেক সভাপতি আফতাব উদ্দিন তার পূর্বের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন উদ্যমে মাঠে নেমেছেন। ভোটারদের একটি বড় অংশের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা এবং অতীত নেতৃত্বের অভিজ্ঞতাকে তিনি জয়ের বড় হাতিয়ার হিসেবে দেখছেন। সাধারণ শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে তিনি আরও কঠোর এবং গতিশীল পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।
নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, শনিবার সকাল থেকে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন ও ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ বিশেষ নজর রাখছেন।
একজন সাধারণ শ্রমিক জানান, আমরা এমন নেতৃত্ব চাই যারা সুখে-দুঃখে শ্রমিকদের পাশে থাকবে এবং আমাদের পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। সোহেল ভাই ও আফতাব ভাই দুজনেই প্রভাবশালী প্রার্থী, তাই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে এটাই স্বাভাবিক। শেষ পর্যন্ত শ্রমিকরা যাকে যোগ্য মনে করবেন, তিনিই জয়ী হবেন।
২৭ জুন ব্যালট পেপারে দেওয়া শ্রমিকদের এই চূড়ান্ত রায়ের দিকেই এখন তাকিয়ে আছে সুনামগঞ্জ জেলা সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়নের সকল সদস্য। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন।



