সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় প্রভাবশালী হাদিছ ও আশরাফ গং কর্তৃক তিনটি অসহায় গরীব পরিবারের জমি জবর দখল ও সশস্ত্র হামলা করে লোকজনকে মারধোরের ঘটনায় মামলা দায়েরের পর মামলা তুলে নিতে হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকেল ৪টায় তিনটি ভূক্তভোগী পরিবারের আয়োজনে সুনামগঞ্জ শহরের দৈনিক সুনামগঞ্জ সময় পত্রিকার অফিসে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বাঘমারা ও নতুনপাড়া এলাকার ভূক্তভোগী মোঃ আমীর আলী জাকেরীন।
তিনি উল্লেখ করেন,বাঘমারা এলাকায় আর এস জরিপের নিজ গ্রামে রেকর্ডীয় খরিদা জমি রয়েছে। পাশে প্রভাবশালী ভূমিখেকো আশরাফ হোসেন জমি ক্রয় করে তাকে জমি থেকে উচ্ছেদ করার জন্য আশরাফ গংরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ কয়েকটি রেন্টি গাছ,শিল কড়ই ও মেহগনি গাছ কেটে নেন এবং লোকজনকে শারীরিক নির্যাতন করে ঘরে থাকা নগদ ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়। এ ঘটনায় আমির হোসেন জাকেরীন আশরাফ গংদের আসামী করে বিশ^ম্ভরপুর জোনে একটি সি আর মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং- ৭৩/২০২৩ইং তারিখ।
এদিকে নিরীহ হাজেরা খাতুন গত ২৪/০২/২৫ইং তারিখে দুইলাখ ৮০ হাজার টাকায় বাঘমারা মৌজায় ১৪ একর আমন রকম ভূমি কারণে পাশ্ববর্তী প্রভাবশালী ভূমিখেকো হাদিছ মিয়া,জফুরা বেগম,মোজাম্মিল,সাব্বির ও মারুফা বেগম গংদের নিকট হতে ক্রয় করে বসতঘর নির্মাণ করার পর এখন ঐ চক্রটি তাকে ভিটা থেকে উচ্ছেদ করতে হুমকি দিচ্ছেন। এ নিয়ে ভূক্তভোগী হাজেরা খাতুন বাদি হয়ে হাদিছ মিয়া গংদের আসামী করে বিশ্বম্ভরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার পিটিশন নং- ৩১/২০২৬ইং। এছাড়াও বাঘমারা গ্রামের অসহায় মমতা বেগমের বাড়িঘরে গত ২৫/০৩/২ ইং তারিখে হাদিছ মিয়া গংরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন। তিনি বিশ^ম্ভরপুর থানায় আরো একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং -২২(২৬/০৩/২৬ইং।
অপরদিকে ভূক্তভোগী মোঃ আমীর আলী জাকেরীন ভূমিখেকো আশরাফ আলী গংদের আসামী করে আদালতের বিশ্বম্ভরপুর জোনে একটি সি আর মামলা দায়ের করেন। যার সি আর মামলা নং ৭৩/২০২৩ ইং। মামলাগুলো তুলে নিতে অব্যাহত হুমকিতে এই তিনটি অসহায় পরিবারের লোকজন নিরাপত্তাহীনতায় জীবন কাটাচ্ছেন।
অবিলম্বে ঐ সমস্ত হামলাকারী ও হুমকিদাতা আসামী আশরাফ আলী ও হাদিছ মিয়া গংদের গ্রেফতার করে কঠোর শান্তির জন্য প্রমাসনের নিকট দাবি জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,মোছাঃ হাজেরা খাতুন ও মমতা খাতুন প্রমুখ।



