Shopping cart

সমালোচনামূলক ফেসবুক পোস্টের পর জকসু সদস্যকে তলব।

জুলাই ১৪, ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ভারী বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত না করায় প্রশাসনের সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য মো. জাহিদ হাসানকে প্রক্টর অফিসে তলব করা হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ভারী বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত না করায় প্রশাসনের সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য মো. জাহিদ হাসানকে প্রক্টর অফিসে তলব করা হয়েছে।

জবি প্রতিনিধি:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ভারী বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত না করায় প্রশাসনের সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য মো. জাহিদ হাসানকে প্রক্টর অফিসে তলব করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান ফেসবুকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও উপাচার্যকে নিয়ে মানহানিকর ও বিরূপ মন্তব্য করেছেন। তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই আগামী ১৪ জুলাই সকাল ১০টায় তাকে প্রক্টর অফিসে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

এর আগে রোববার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে জাহিদ দাবি করেন, বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে কয়েক দিনের জন্য ক্লাস ও পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়ার বিষয়ে জকসুর পক্ষ থেকে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। প্রশাসন বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দিলেও রাত পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

তিনি আরও দাবি করেন, সন্ধ্যার পর উপাচার্য ও ট্রেজারারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া মেলেনি। উপাচার্য জকসুর ভিপির ফোনও রিসিভ করেননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পোস্টে জাহিদ লেখেন, ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে পৌঁছানো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। একই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট এবং আহসানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিসহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করলেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় তা করেনি।

তিনি আরও লেখেন, “জকসুর কাজ প্রশাসনকে চাপ দেওয়া। আমরা দিয়েছি। কিন্তু প্রশাসন যদি সেই চাপ অনুভবই না করে, তাহলে এর দায় জকসুর নয়।”

প্রক্টর অফিসের নোটিশ পাওয়ার পর সোমবার রাতে জাহিদ আরেকটি ফেসবুক পোস্টে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ। গতকালকের ফেসবুক পোস্টের বিপরীতে প্রক্টর অফিস থেকে আমাকে আগামীকাল ডাকা হয়েছে। জবি প্রশাসন এবং মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের বিরুদ্ধে নাকি মানহানিকর পোস্ট করেছি।”

তিনি আরও লেখেন, “কমেন্টে গতকালকের পোস্টের লিংক দিলাম। আপনারা একটু জানাইয়েন, কোন বিষয়টা মানহানিকর ছিল?”

এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, “কোন বক্তব্যকে মানহানিকর মনে করা হয়েছে, সেটি আলাদাভাবে উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। জাহিদের ফেসবুক পোস্টেই বিষয়টি রয়েছে। পোস্টটি দেখলেই বোঝা যাবে।”

মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়ে তিনি বলেন, “অবশ্যই সবার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে। সেও মতপ্রকাশ করতে পারে।”

সম্ভাব্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রক্টর বলেন, “এ মুহূর্তে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা বলা যাচ্ছে না। আগে তাকে ডেকে কথা বলতে হবে। আমি প্রায় ১০ বার ফোন করেছি। সে ফোন রিসিভ করেনি। তাই বিভাগীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তাকে প্রক্টর অফিসে আসতে বলা হয়েছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *