Shopping cart

Magazines cover a wide array subjects, including but not limited to fashion, lifestyle, health, politics, business, Entertainment, sports, science,

শান্তিগঞ্জের চিকারকান্দিতে পাকা রাস্তা, স্বস্তি শতাধিক পরিবারের।

জুন ৩০, ২০২৬

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের চিকারকান্দি গ্রামের পশ্চিম হাটির দীর্ঘদিনের কাঁচা রাস্তা অবশেষে পাকাকরণের আওতায় এসেছে

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের চিকারকান্দি গ্রামের পশ্চিম হাটির দীর্ঘদিনের কাঁচা রাস্তা অবশেষে পাকাকরণের আওতায় এসেছে

ইমরানুল হাসান, শান্তিগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের চিকারকান্দি গ্রামের পশ্চিম হাটির দীর্ঘদিনের কাঁচা রাস্তা অবশেষে পাকাকরণের আওতায় এসেছে। নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। প্রায় এক শতাব্দী ধরে দুর্ভোগে থাকা শতাধিক পরিবারের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা বাস্তবে রূপ নিতে চলেছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চিকারকান্দি গ্রামের পশ্চিম হাটির ১৯৭ মিটার রাস্তার পাকাকরণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। দীর্ঘ প্রায় ১০০ বছর ধরে এলাকার প্রায় ১০০টি পরিবার কাঁচা ও কাদামাটির এই রাস্তা ব্যবহার করে আসছিল। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে কোমলমতি শিক্ষার্থী, বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী এবং রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। স্থানীয়দের আশা, নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে এই ভোগান্তির স্থায়ী অবসান ঘটবে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. কমরু মিয়া বলেন, “এই রাস্তাটি পাকা হওয়ায় আমরা এখন স্বস্তিতে চলাচল করতে পারব। আর অল্প কিছু কাজ বাকি আছে। সেটুকু শেষ হয়ে গেলে আমাদের দীর্ঘদিনের কষ্ট দূর হবে। এজন্য আমি সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম. কয়ছর আহমদ সাহেবকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।”

শান্তিগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরে সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম. কয়ছর আহমদের বরাদ্দ থেকে পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের চিকারকান্দি গ্রামের পশ্চিম হাটিতে ১৯৭ মিটার পাকা রাস্তা নির্মাণের জন্য ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

শান্তিগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, “রাস্তা পাকাকরণের কাজ চলমান রয়েছে। নির্মাণকাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে আমাদের নিয়মিত তদারকি অব্যাহত আছে। আশা করছি আগামী দুই দিনের মধ্যেই নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে।”

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিনের এই জনদুর্ভোগের অবসানে তারা আনন্দিত। তাদের প্রত্যাশা, রাস্তার কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হলে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হবে এবং শিক্ষার্থী, কৃষকসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের চলাচলে স্থায়ী স্বস্তি ফিরে আসবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *