Shopping cart

Magazines cover a wide array subjects, including but not limited to fashion, lifestyle, health, politics, business, Entertainment, sports, science,

  • Home
  • শিক্ষাঙ্গন
  • মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হতে পারে জবি’র সহযোগী অধ্যাপক আইরিন

মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হতে পারে জবি’র সহযোগী অধ্যাপক আইরিন

আগস্ট ৭, ২০২৫

মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হতে পারে জবি'র সহযোগী অধ্যাপক আইরিন।

মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হতে পারে জবি'র সহযোগী অধ্যাপক আইরিন।

মুসফিকুর রহমান, জবি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আইরিন সুলতানার শিক্ষার্থীদের জন্য নেওয়া প্রশংসনীয় উদ্যোগ হতে পারে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এমনটাই মনে করেন শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক চেয়ারম্যান ড. সাইফুল্লাহ ভূঁইয়া এর তিন সন্তানের কনিষ্ঠ কন্যা অধ্যাপক ড. আইরিন সুলতানা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে (বিএসএস) এবং ( এমএসএস) শেষ করে ২০১৩ সালে যোগ দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক হিসাবে। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই গ্রহণ করেন পিএইচডি ডিগ্রি।

মানবিকতা আর উদারতার জন্য আগে থেকেই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ পরিচিত মুখ। সমাজবিজ্ঞান, বাংলা,নাট্যকলা সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের সার্বিক সহোযোগিতায় সামনের সারিতে পরিলক্ষিত নাম ড. আইরিন সুলতানা। থাকেন নবীন শিক্ষার্থীদের ভর্তির বিষয়েও তৎপর।

বিশ্ববিদ্যালয়ের দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রদান করা একমাত্র মানবিক প্রতিষ্ঠান যাক-তহবিলের জন্য বরাদ্দ থাকে তার নিজ বেতনের একটা অংশ। এ ছাড়া সমাজবিজ্ঞান বিভাগের দরিদ্র তহবিল সহ সার্বিক বিষয়ের আস্থাশীল নাম ড. আইরিন সুলতানা।

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের একজন শিক্ষার্থী বলেন, আমি ম্যামের কাছে কারো জন্য রিকমেন্ড করে পাইনি এমন কখনো হয়নি। ম্যাম সর্বদা আমাদের ছায়ার মতো। তিনি এখন প্রর্যন্ত ঠিক কত জন শিক্ষার্থীর ভর্তি ফি দিয়েছেন তা হয়তো ম্যাম নিজেও হয়তো বলতে পারবেন না৷

সমাজবিজ্ঞান বিভাগে সদ্য ভর্তি হওয়া নবীন একজন মেয়ে শিক্ষার্থী জানান, আইরিন ম‍্যাম অনেক ভালো একজন ব‍্যাক্তি এবং ম‍্যামের ব‍্যবহার আমার অনেক ভালো লাগে। ম‍্যামের জন‍্য আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া অনেকটা সহজ হয়েছে। বর্তমানে আমি আমার পড়াশোনা ভালো ভাবে করতে পারছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন‍্যান‍্য শিক্ষকরাও যদি এমন উদ‍্যোগ নেন, তাহলে আমার মতো অনেক শিক্ষার্থী কষ্ট দূর হবে এবং তারা ভালো ভাবে পড়াশোনা করতে পারবে।

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান  অধ্যাপক ড. ফারহানা জামান বলেন, আমি সহ আমাদের বিভাগের সকল শিক্ষক চেষ্টা করেন শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার, তাদের সুবিধা-অসুবিধা জানতে চেষ্টা করি এবং সাধ্যের মধ্যে তাদের পাশে থাকি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. আইরিন সুলতানা বলেন, আমি খুব ছোটবেলা থেকে মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দেখেছি, গ্রাম থেকে আসা আমার অনেক বন্ধু ঠিকমতো খেতে পারে না, প্রয়োজন অনুযায়ী বই কিনতে পারে না। তখন থেকে ঠিক করি নিজে উপার্জন করতে পারলে সবার আগে গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করবো। আমার নাম প্রচার আমি চাই না তবে এর মাধ্যমে কেউ উৎসাহী হলে আমি আনন্দিত হব।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান, আমরা সকলে যদি একটু একটু করে এগিয়ে আসি তাহলে আমাদের সন্তানরা যারা মফস্বল থেকে এসে প্রথমে সার্ভাইব করতে না পেরে ড্রপ-আউট হয়, এটা অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে, বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাবে। সর্বোপরি দেশ এগিয়ে যাবে স্বপ্নযাত্রায়। আমার মনে হয় খুব বেশি টাকার প্রয়োজন হয় না একজন শিক্ষার্থীর ভর্তি বা মাসিক একটা সাপোর্ট দিতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *