Shopping cart

  • Home
  • শিক্ষাঙ্গন
  • ৩৭ বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের বিতর্কিত কমিটি, সদস্যদের ক্ষোভ

৩৭ বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের বিতর্কিত কমিটি, সদস্যদের ক্ষোভ

মার্চ ১৯, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: ৩৭তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডার এর সংগঠন ‘৩৭তম বিসিএস এডমিনিসট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশন’- এর কমিটি ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয়েছে নানান বিতর্ক, নিয়মবহির্ভূতভাবে কমিটি ঘোষণা করায় সদস্যদের মাঝে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ।

অভিযোগ উঠেছে,১৮ মার্চ ঘোষিত নতুন কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত ঢাকা জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মরত সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. তাছবীর হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক, গলাচিপা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নাছিম রেজা কারো সাথে পরামর্শ না করে নিজেদের পছন্দমতো কয়েকজনকে নিয়ে একটি কমিটি ঘোষণা করেন। যা পকেটে কমিটি হিসেবে আখ্যা দিয়েছে অনান্য সদস্যরা।

৩৭ বিসিএস এডমিন ক্যাডারদের গ্রুপে ব্যাচের অন্যান্য সদস্যরা এই কমিটিকে ‘লাইলাতুল সিলেকশন’ এবং ‘২০১৮ এর ইলেকশন’ নামে আখ্যা দিয়েছে৷ এ নিয়ে ব্যাচের অন্যান্যদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে।

দৈনিক সারাদেশের হাতে আসা ব্যাচের অভ্যন্তরীণ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে দেখা যায়, এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার স্বীকার হচ্ছে স্বঘোষিত এই কমিটি। ১৭ মার্চ রাতে জুম মিটিং এর মাধ্যমে পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত করে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি করার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু ১৮ মার্চ কয়েকজনকে নিয়ে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

৩৭ তম ব্যাচের সদস্য নওগা সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) খান সালমান হাবিব গ্রুপে লিখেন ‘স্বৈরাচারী এ কমিটির মানি না মানবো না, এক দফা এক দাবি বাতিল হোক এই কমিটি

রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালযের সিনিয়র সহকারী সচিব আরাফাত সিদ্দিকী লিখেন, ‘গতকালের জুম মিটিংয়ের কোন সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ ঘন্টা না পেরোতেই এই সিদ্ধান্ত!!! বোধগম্য হলো না। মনে হলো, অনেকগুলো *যেহেতু* যুক্ত করে পরিপত্র বা অফিস আদেশ জারি করা হলো ‘তাছবীর-নাসিম কর্তৃক স্ব-ঘোষিত এই কমিটির যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়া কায়েসুর রহমানও জানতেন না কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত। তিনি লিখেন,’গতকালের মিটিং এর আলোচনা ও সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আমি অবগত নই। গতকালের সভায় ব্যক্তিগত ব্যস্ততার জন্য উপস্থিত থাকতে পারি নি। তবে সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক কাজ করাটাই সমীচীন।সবার আগে ব্যাচ, ব্যাচের সবাই মিলে যদি কাউকে কোন দায়িত্ব দেয় সেই দায়িত্ব পালন করতে দ্বিধা নাই।

আমি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলাম। ব্যাচের বাইরে গিয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া কোন মুহুর্তেই উচিত হবে না।’ তিনি আরো লিখেন, সবার আগে গতকালের সভার রেজুলেশন প্রকাশ করা হোক। এরপর কমিটি করা সমীচীন হবে।

স্ব-ঘোষিত এই কমিটির সহ-সভাপতি কাশপিয়া তাসরিন লিখেন, ‘ব্যক্তিগত ব্যস্ততায় গতকালের মিটিংয়ে ছিলাম না। ব্যাচের পক্ষ থেকে কোনো দায়িত্ব দেয়া হলে কাজ করতে আপত্তি নাই। তবে, ব্যাচের ঊর্ধ্বে কোনো কিছু নাই।’

ব্যাচের অন্যান্য সদস্যদের সাথে পরামর্শ না করে এককভাবে কমিটি ঘোষণা করে তাছবীর ও নাসিম রেজা। নাসিম রেজা বগুড়া সদরে এসি (ল্যান্ড) থাকার সময় দুর্নীতি ও জন হয়রানির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তাছবীর হোসেন নিজেকে এখন ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন দাবী করলেও তার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসমেটরা জানান তিনি ছাত্রদলের রাজনীতি করতেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *